Skip to main content

Posts

ডায়েরীর পাতায়

28.09.2017                                                                                                                            01:45a.m অ্যাই বন্ধু, কেমন আছো? তোমার সাথে পাক্কা পঁচিশ ঘন্টা পর দেখা। জানো আজ একটা অদ্ভুত অভিজ্ঞতা হলো। আচ্ছা, তুমি সুপার হিরোতে বিশ্বাসী? আজ কিন্তু আমি সত্যিই সুপার হিরো দেখলাম। কি নিশ্চয়ই ভাবছো তিস্তার মাথা খারাপ হয়ে গেছে? তা ভাবতেই পারো, ক্ষতি নেই।  তোমায় তো বলেই ছিলাম, যে মহাসপ্তমীর বিকেলটা মেসের বন্ধুদের সাথে কাটাবো, প‍্যাণ্ডেলে-প‍্যাণ্ডেলে ঘুরবো, হাবিজাবি খাবো, আর অনেক অনেক মজা করবো। বুঝতেই তো পারছো, বালুড়ঘাটের চৌহদ্দির বাইরে প্রথম পা রাখা, তাও আবার তিলোত্তমা কলকাতার দুর্গাপূজো দেখা। উফ্, উত্তেজনায় ঠিক করে ঘুমাতেই পারিন...

যখন তুমি অনেক দূরে..

'দিল আজ শায়র হ্যায় গম আজ নাগমা হ্যায়.......... ' গানটার শেষ লাইনটা ছিল ' হম যব না হোঙ্গে তো রো রো কে দুনিয়া ঢুঁঢেঁগি মেরে নিশা ' সত্যিই তাই | তুমি চলে গেছো, কোথাও নেই তুমি, তবু তুমি আছো,আমাদের সংগীত-জীবনে তুমি আছো | তবুও সবাই তোমার চিহ্নই খুঁজে বেড়াই সবার মধ্যে | তুমি আমাদের কিশোর কুমার | প্রথম যেবার পুরী বেড়াতে যাই বাবা মায়ের সঙ্গে তখন তোমার বোধহয় নতুন গানের এলবাম বেরিযেছিল। তখন তো গান শোনার অবলম্বন বলতে বাড়িতে রেডিও বা ট্রানজিস্টর আর কালো কালো গোল গোল রেকর্ড আর মাইক | মনে আছে এতবছর পরেও পুরী হোটেলের বারান্দায় দাঁড়িয়ে শোনা, ' আকাশ কেন ডাকে ', ' আমার মনের এই ময়ূর-মহলে ', ' একদিন পাখি যাবে উড়ে ' | , কান দিয়ে মনে গেঁথে গেছিল | গানের তখন কিছুই বুঝিনা, বাবা মায়ের ভালো লাগাটাই ভালো লাগা, তবু মনে জায়গা করে নিয়ে ছিল তোমার গানগুলো | এরপর এক দূর্গাপূজোতে শুনলুম তিনটে গান ,' দুখি মন মেরে, শুন মেরা কেহনা ' , ' চিঙ্গারী কোই ভড়কে ' আর ' ও সাম কুছ আজীব থি ',এক অন্য অনুভূতিতে ভেসে গেলুম | দেওঘর বেড়াতে গিয়ে যে হোটেলটায় ছিলুম, তা...

আমার বাবা - আমার ছেলেবেলা

                                            দেখতে দেখতে তেইশটা বছর পেরিয়ে গেল – বাবাকে দেখিনি, গল্প করিনি, বাবার আদরের ছোঁয়া পাইনি…… বাবার কথা বলতে গিয়েই প্রথমে মনে পড়ে তাঁর মিষ্টি হাসিটা। আমার বাবা ছিলেন একেবারে মাটির মানুষ। আমার কখনো মনে পড়েনা যে বাবা আমাকে জোর গলায় কিছু বলেছেন বা বকেছেন। ছোটবেলায় আমি আর আমার বোন সঞ্চারী বাবার কাজ থেকে ফেরার অপেক্ষায় বসে থাকতাম – কেন না বাবা ফিরে এসে একটু বিশ্রাম নিয়ে আমাদের ভূতের গল্প শোনাবেন সেই আশায়! কী যে মজার দিন ছিল সেই সব... ছোটবেলায় আমার শখ ছিল পুতুল নিয়ে খেলার, খুব ভালবাসতাম। মনে পড়ে একবার বাবা আর মা বিদেশ থেকে ফেরার  সময় একটা Walkie Talkie Doll (পুতুল) নিয়ে এসেছিলেন। আমি  সেই পুতুলটিকে নিয়ে সারাদিন খেলতাম। একদিন একটি ছোট্ট বাচ্চা মেয়ে এসেছিল আমাদের বাড়িতে তার বাবামায়ের সাথে আর ওর –ও ঐ পুতুলটিকে খুব ভালো লেগে গেল। আমার নরম মনের বাবা আমাকে বললেন ‘মানা তুমি ওই বাচ্চাটিকে তোমার এই পুতুলটি দিয়ে দাও, আমি তোমাকে আবার...

সর্বোত্তম উত্তম

উত্তমকুমার নায়ক, মহানায়ক কিন্তু তার থেকেও বড়ো ব্যাপার হলো, আমার মতে তিনি মানুষের উত্তম সবার উত্তম। সেই সময় একজন মা ভাবতেন, আমার যদি এমন একটি ছেলে থাকত। একজন বোন বা ভাইও ভাবতো, আহা এমন যদি আমার একটি দাদা থাকত। দিদি বা দাদারা ভাবতো এমন একটি ভাইয়ের কথা আর সর্বোপরি আপামর বঙ্গনারী তাঁকে স্বামীর ভাবনায় হৃদয়ে স্থান দিতো। তাই তাঁর মহাপ্রয়াণের পরে বহু বঙ্গনারী সিঁথির সিঁদুর মুছে ফেলেছিলেন, ট্রেন চালক ট্রেন থামিয়ে দিয়েছিলেন এবং গ্রামের নার্সারি থেকে নিউমার্কেটে আগত সমস্ত ফুল ঢেলে দিয়ে শ্রদ্ধার্ঘ্য জ্ঞাপন করা হয়েছিল মহানায়ককে।  আমার ব্যক্তিগত মত অনুযায়ী এমন অভিনেতা এমন মানুষ সারা পৃথিবীতে এই একজনই এসেছিলেন ( সব নায়কের প্রতি সম্মান জানিয়েই বলছি )। খুঁটিয়ে দেখতে গেলে তিনি যে দারুণ সুন্দর ছিলেন তা বলবো না। বসন্ত চৌধুরী, প্রদীপ কুমার, সৌমিত্র অনেক বেশি সুন্দর। কিন্তু তা সত্বেও পর্দা জুড়ে শুধুই উত্তমের উপস্থিতি বাকি সবাইয়ের চেয়ে অনেক যোজন এগিয়ে। চিরকাল একনিষ্ঠ মোহনবাগানী ছিলেন উত্তমকুমার। তাঁকে নিয়ে লেখা তাঁর মৃত্যুর এত বছর পরেও শেষ হয়ে যায় নি, যাবেও না। একটা শোনা ঘটনা বলি,...

ঈশ্বরের কন্ঠ

আমি তখন বেশ ছোট, আট-ন'বছর বয়স হবে,  আমার দুই দিদিকে দেখতাম সব সময় গান শুনতো। তখনকার দিনে বই আর গান ছাড়া বিশেষ কিছু করণীয়ও তো ছিল না। তো সেই খেলনাবাটির দিনেই লক্ষ্য করতাম দুজনে সারাক্ষণ টেপ রেকর্ডার-এ গান শুনছে। কার গান? বড়জন সারাক্ষণ হেমন্ত মুখার্জিতে মগ্ন, বেশীটাই রবীন্দ্রসঙ্গীত, এছাড়া বাংলা স্বর্ণযুগের গান। আর মেজদি সারাক্ষণ কিশোরকুমারে ডুবে থাকতো। সে এমন গান শোনা যে বাড়িশুদ্ধু লোককে বুঝিয়ে ছাড়বে কিশোরকুমারের মাহাত্ম্য। আমি বরাবরই স্বাতন্ত্রে বিশ্বাসী। এদের সঙ্গে এসব গান তো শুনতামই, কিন্তু সেই মনকে ছুঁয়ে যাওয়া ব্যাপারটা কখনোই হয়ে ওঠেনি। কোন শিল্পীকেই বিন্দুমাত্র অসম্মান করছি না, আমি নিজেও উপরোক্ত দুই শিল্পীর প্রচুর গান এখনো শুনি। কিন্তু ওই হয় না, যাকে যেটা appeal করে। তো সেই অভিযোগ নিয়ে একদিন বাবার কাছে গেলাম, 'আমি কার গান শুনবো তাহলে?' বাবা ভেবেচিন্তে বললো, 'আমি ক্যাসেট কিনে আনছি, তুই শুনে দেখ।' বাবা মান্না দে, মুকেশ আর মহম্মদ রফির ক্যাসেট কিনে আনলো। শুনলাম, ভালো লাগলো সবই, কিন্তু এই শেষের লোকটির গান যেন আমাকে অন্য এক দুনিয়ায় নিয়ে গেল। প্রথম ক্যাসেটের গানগ...

महम्मद रफि : मौसिकिँ का रहनुमा

              Sketched by मुहम्मद शाहिद खान परदेसी संग न लाइए यारी भानवे लाख सोने दा होवे एक गल लो परदेसी चंगा जद याद करे तद रोवे सोनिये ओए हीरिये ओए तेरी याद ने आन सताया डांढ़ा फाया  (फिल्म गुलबलोच -1943) यही था रफ़ी साहब का गया पहला गाना अशरफ खान, गली न. 27, मकान न. बी 11,कैनाल पार्क गुलबर्ग (दोयम), लाहौर..... दोस्तो, मोहम्मद रफ़ी साहब के मेहरबान दोस्तों और सरपरस्तों की अव्वलतरीन शफ में जिन लोगों का नाम आता है अशरफ खान साहब उनमें से एक हैं। अशरफ खान साहब, लाहौर में रफ़ी साहब के करीब ही रहा करते थे। रफ़ी साहब उन के साथ रियाज़ वगैरह किया करते थे। अशरफ खान साहब उन दिनों "गुलबलोच" फिल्म में बतौर चीफ असिस्टेंट काम कर रहे थे। उन दिनों उन का एक पख्तून सिंगर और साजिंदा अफगानिस्तान चला गया था। नए सिंगर की दरक़ार थी। रफ़ी साहब की गायकी से भी अशरफ साहब बखूबी वाकिफ थे। अशरफ साहब, रफ़ी साहब को 'ज़ीनत बेगम' के घर "हीरा मंडी" ले गए और बोले ये रफ़ी है। ज़ीनत बेगम ने कहा "मैं एंनु जांनिया, आंदा हुँदा है कदी कदी" (मैं इस को जानती हूँ, कभी कभी आता रहता है) अशरफ सा...

we remember Mohammad Rafi: the man with golden voice- the king of melody

The world has changed so much and is changing continuously every moment; but not so the “Dame Love”. From bullock cart to the jet and the sputnik, man has changed his saddle; but not so “love”, who is still riding it's old winged horse- the SONG. And when that song comes to you on the wings of Mohd. Rafi saab’s rich and melodious voice- it carries you away! Far away, from the madding crowds to the “fairy lands”! Where love alone holds its court, where there is no hatred, no jealousy; where peace reigns supreme and bliss kisses your brow! Yes, we call him RAFI- he has no airs, nor does he glory in any sort of exhibitionism. Otherwise you would see him carrying everywhere his load full of trophies and medals he has been bestowed upon by his admirers all over the world; and to crown all the much coveted medal, bearing the title of “Padma Shree”- which the President of India was pleased to confer on him in the year of 1967. No, he has no airs about him. He is RAFI to us, all...