লেটুশদার হাতেখড়ি
তৃণাঞ্জয় ভট্টাচাৰ্য
( পর্ব - দুই )
স্টেশন থেকে বেরিয়ে একটা গোল্ডফ্লেক ধরালো লেটুশদা। সঙ্গে খুঁজতে শুরু করল হলুদ-কালো অটোরিকশা | ম্যাজিক গাড়িগুলোও ভালো। লেটুশদা বলে, পাঁচটার কিছু আগে ভোরের অন্ধকারে পুরীর সমুদ্রকে দেখার অনুভূতিটাই নাকি আলাদা। আর কথাটা যে কতটা সত্যি তা বিবেকানন্দর মূর্তিটা বাঁহাতে রেখে ডানদিকে মেরিনড্রাইভ রোডে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই বুঝতে পারলাম। সত্যি সমুদ্রের এই রূপ আমি কখনোই দেখিনি। বালির উপর ঢেউয়ের আছড়ে পড়ার শব্দ এতদূর থেকেও স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে। দূরে জলের ওপরে ঘন কুয়াশা জমে রয়েছে। মানে সানরাইজ দেখার কোনো সুযোগ নেই । আমি এর আগে যখন পুরীতে এসেছিলাম তখন আমার বয়স পাঁচ। সূর্যোদয় দেখেছিলাম কিনা মনে নেই। আমরা যাবো ক্যামেলিয়া হোটেলে। স্বর্গদ্বার পেরিয়ে। লেটুশদা বলে, স্বর্গদ্বারের এইধারটায় নাকি বড্ড ভীড়। ওর কথায়, 'ভীড়ই যদি সহ্য করবো,তাহলে আর গড়িয়া স্টেশন ছেড়ে এলাম কেন?' ওর পছন্দ লাইটহাউসের দিকটাই। অটোর ভাড়া মিটিয়ে আমরা তিনজন যখন হোটেলে ঢুকছি, তখন পুবদিকের আকাশ ফর্সা হয়ে গেছে।
https://teenswadharan.blogspot.com/2018/12/blog-post.html

Comments
Post a Comment