ঘড়িতে তখন রাত সোয়া নটা,ইতিমধ্যে দুবার বেল পড়ে গেছে.... - মা,দুবার কিন্তু বেল পড়ে গেছে খেয়ে নাও এবার,ওরকম করো না আর....আমি বললাম... - না খাবো না.. দরজাটা খুলে মুখ বাড়িয়ে আয়া দিদি বললো,লাস্ট বেল কিন্তু এখুনি পড়বে তাড়াতাড়ি করুন... - আরে দেখুন না একটুও খায় নি এখনো... - কেনো আজ আবার কি হলো?? - ওই এক কথা বিয়ে কর,বউমার এর মুখ দেখবো..... - খারাপ তো কিছু বলেনি,করে নিন না বিয়েটা... - আপনিও..... - আচ্ছা বিয়ে নয় হবে তাড়াতাড়ি খেয়ে নিন আপনি সুস্থ না থাকলে বিয়ে দেখবেন কি করে.....মাকে বলে নার্স চলে গেল। - খেয়ে নাও আর একটু.....ওষুধ গুলো আছে না শেষ... - জানিনা... থার্ড বেলটাও পড়ে গেল....আবার আয়া দিদি ঢুকলো.... - ছাড়ুন এবার বাকি আমি খাইয়ে দেব... - খাবারটা সবটা খাবে আর ওষুধ গুলো খেয়ে নেবে,আমি আসলাম... বলে কাঁধে ব্যাগটা নিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছি পিছন দিয়ে মায়ের গলা পেলাম... - সাবধানে যাস,গিয়ে আয়া দিদির ফোনে একটা ফোন করে জানাস.... - আচ্ছা আর তুমিও সাবধানে থেকো.... বেরিয়ে দেখি লিফট বন্ধ,অগত্যা সিঁড়ি দিয়ে নামলাম,পার্কিং থেকে গাড়ি বের করার সময় ভাবলাম একবার স্নেহা কে ফোন করি,আবার ...
This blog has been devised for those people who do not have access to very rare information and the good old days.