Skip to main content

আধুনিক ক্রিকেট

একবিংশ শতাব্দী ক্রিকেট খেলার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সাক্ষী, বিষেশ করে ২০ ওভারের ক্রিকেটের কথা এক্ষেত্রে বলতেই হয়।  ইংল্যান্ড-এ ২০০৩ সালে প্রথম খেলা এই  সংক্ষিপ্ততম  ক্রিকেট সংস্করণ টি , এই খেলার ক্ষেত্রে এক মহান আবিষ্কার।  
ভয়দর হয়নি ভাবে দ্রুত গতিতে রান তোলা বড় স্ট্রোক খেলা ব্যাটসম্যান কে সামলাতে বোলার দের  নিত্য নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করতে হয়েছে এঅবগ ফিল্ডিং কে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে হয়েছে।   ২০০৪ সালে প্রথম মহিলাদের আন্তর্জাতিক ২০ ওভারের ক্রিকেট ম্যাচ খেলা হয় এবং কিছু দিন পরে পুরুষদের আন্তর্জাতিক ২০ ওভারের প্রথম ম্যাচ ও খেলা  হয় যা ক্রিকেট খেলার তৃতীয় সরকারি আন্তর্জাতিক সংক্ষরণ বলে গৃহীত হয়।  ।  প্রথম ২০ ওভারের বিশ্বকাপ খেলা হয় ২০০৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় যা সারা প্রতিবীতে ৩৫০ মিলিয়ন মানুষ দেখে বলে মনে করা হয়।  যা পৃথিবীর ক্রিকেট খেলার আন্তির্জাতিক দৃশ্যপটই বদলে দেয় । মূলত এই কারণেই ভারতে আই  পি এল শুরু হয়। ২০০৮ সালে প্রথম আই পি এল খেলা হয় যার পরিকল্পনা বি সি সি আই প্রথম করেছিল ২০০৭ সালে। ১৮ এপ্রিল ২০০৮ সালে শুরু হয় এই খেলার ফাইনাল হয়েছিল ১ লা জুন।  প্রথম বার খেলে ৮ খানা টিম।     
     প্রথম আই  পি এল জয়ী হয় রাজস্থান রয়্যালস। এই সফল পদক্ষেপ ক্রিকেটের ধাঁচ বদলে দে।  ক্রিকেট ও গ্ল্যামারএর মধ্যে  এক বিরাট মঞ্চ তৈরী হয়।  খেলোয়াড়ের আর্থিক ভাবে সমৃদ্ধ হয় এবং ভারতের বহু ছোট ছোট শহর থেকে বহু খেলোয়াড়রা উঠে আসে এবং লাভবান হয়।  এই প্রথম তার এক বিরাট মনকে পে তাদের প্রতিভা দেখানোর জন্য ( নিজের এবং বাইরের দেশের সামনে) ।  আই  পি এল ভারতীয় ক্রিকেট কে একটা নতুন মাত্রা দেয়। 
         মহিলাদের ক্রিকেট ও দ্রুতগতিতে উন্নতি লাভ কর।  আই সি সি তার ক্রিকেট ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের লক্ষ্য ঠিক করে যাতে আরো জাতীয় দোল তৈরী হয় যারা বিবিধ সংস্করণের ক্রিকেট খেলবে। ....... ( বাকিটা পরের পোস্ট এ )......
                                                                                                ----------শ্রয়ন দে 

Comments

Popular posts from this blog

আমার বাবা - আমার ছেলেবেলা

                                            দেখতে দেখতে তেইশটা বছর পেরিয়ে গেল – বাবাকে দেখিনি, গল্প করিনি, বাবার আদরের ছোঁয়া পাইনি…… বাবার কথা বলতে গিয়েই প্রথমে মনে পড়ে তাঁর মিষ্টি হাসিটা। আমার বাবা ছিলেন একেবারে মাটির মানুষ। আমার কখনো মনে পড়েনা যে বাবা আমাকে জোর গলায় কিছু বলেছেন বা বকেছেন। ছোটবেলায় আমি আর আমার বোন সঞ্চারী বাবার কাজ থেকে ফেরার অপেক্ষায় বসে থাকতাম – কেন না বাবা ফিরে এসে একটু বিশ্রাম নিয়ে আমাদের ভূতের গল্প শোনাবেন সেই আশায়! কী যে মজার দিন ছিল সেই সব... ছোটবেলায় আমার শখ ছিল পুতুল নিয়ে খেলার, খুব ভালবাসতাম। মনে পড়ে একবার বাবা আর মা বিদেশ থেকে ফেরার  সময় একটা Walkie Talkie Doll (পুতুল) নিয়ে এসেছিলেন। আমি  সেই পুতুলটিকে নিয়ে সারাদিন খেলতাম। একদিন একটি ছোট্ট বাচ্চা মেয়ে এসেছিল আমাদের বাড়িতে তার বাবামায়ের সাথে আর ওর –ও ঐ পুতুলটিকে খুব ভালো লেগে গেল। আমার নরম মনের বাবা আমাকে বললেন ‘মানা তুমি ওই বাচ্চাটিকে তোমার এই পুতুলটি দিয়ে দাও, আমি তোমাকে আবার...

আমরা তো হেমন্তই হতে চাইতাম

আজও বিকেলে মাঝে মাঝে খুব হেমন্ত শুনতে ইচ্ছে হয়..... "কোনোদিন বলাকারা এতো দূরে যেত কি "...... কিংবা "ওলির কথা শুনে বকুল হাসে ".......আজও মনে পরে "বিষ্ণুপ্রিয়া গো আমি চলে যাই ".......বা "সারাটি দিন ধরে / চেয়ে আছিস ওরে /তোর মনে কথা তবুও কেউ জানলো  না"......আকাশে মেঘ করলেই মনে পরে "মেঘের স্বপন দেখি "......শুধু একজনের জন্য।...... হেমন্ত মুখোপাধ্যায় । কখনো আবার বেশি রাতে আজও  শুনি বিবিধ ভারতীতে.... "তেরি দুনিয়া মে জিনিসে /তো বেহতর হ্যায় / কে মর যায়ে ".....আর সাথে যদি হয় 'ছুঁপালো যুঁ দিল মে প্যার মেরা " ...তাহলে তো কথাই নেই।   বাবাদের ছেলেবেলায় খুব প্রিয় ছিল " শূর্পনখার নাক কাটা যায় / উই কাটে বই চমত্কার / খদ্দের কে জ্যান্ত ধরে / গলা কাটে দোকানদার "........ মা এখনও  শুনতে চায় "ঘুম যায় ওই চাঁদ মেঘ পরীদের সাথে "......জ্যাঠার ঘরে বসে কত দুপুর কেটেছে শুধু "বসে আছি পথ চেয়ে"........ সেই কোন ছেলেবেলা থেকে শুনে আসছি "যদি জানতে চাও তুমি / এব্যাথা আমার কত টুকু / তবে বন্দি করা কোনো পাখির কাছে জেনে ...

একই সুরে কত গান

বিষয়টা খুব একটা নতুন নয়।  যদিও বেশ আকর্ষণীয়।  গান আমরা প্রায় সকলেই শুনি।  এবং এও জানি যে এমন গান আছে যা শুনলে হঠাৎ করে মনে হয় "আরে   এই গানটার  একটা হিন্দি আছে না?" বা " এই গানটার বাংলা টা  যেন কি?"  এবং এই গানগুলির বিষয়ে মানুষের এক-ধরণের স্বভাবজাত আকর্ষণ ও আছে।  তাই ভাবলাম দেখি কিছু লেখা যায় কিনা।  মজার ব্যাপার সব গান নিয়ে লেখা খুব একটা সহজ নয়।  তবুও চেষ্টা করে দেখতে গেলে ক্ষতি কি।     প্রথমেই আসা যাক সলিল চৌধুরীর গান -এ।  তিনিই এই কাজ প্রথম শুরু করেন বলেই মনে হয়।  না ভুল হলো তার আগে শচীন কর্তাও আছেন।  তবে আগে সলিল চৌধুরীকে  নিয়েই হোক।  লতাজিকে দিয়ে তিনি ৩৫টি বাংলা  আধুনিক  গান গাইয়ে  ছিলেন।  যার ২৯ খানারই অন্য ভার্সন আছে।  ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত "যারে যারে উড়ে যারে পাখি " গানটির  হিন্দি  ছিল ১৯৬১ সালে প্রকাশিত "মায়া" হিন্দি ছবির " যারে যারে উড় যারে পঞ্চী " . "যারে যারে উড়ে যারে পাখি " এর উল্টো দিকে ছিল " না যেও না" যার হিন্দি ছিল ১৯৬০ সালে...